সহিহ তিলাওয়াতে কুরআন হিফজের পাশাপাশি একাডেমিক ভিত্তি ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা, যেন হিফজ শেষে যে কোনো ধারায় পড়াশোনা শুরু করতে পারে।
আমরা বিশ্বাস করি, একজন হাফেজে কুরআন শুধু কুরআনের ধারকই নয়, সমাজ ও জীবনের জন্যও সমান প্রস্তুত একজন মানুষ হবে।
মাহদিয়া স্কুলে শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞ শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে, আর পাশাপাশি গড়ে তোলে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও কম্পিউটারের ভিত্তি। ফলে হিফজের পর সে পিছিয়ে পড়ে না, বরং আত্মবিশ্বাস নিয়ে পছন্দের পথে এগিয়ে যায়।
তাজবিদসহ বিশুদ্ধ তিলাওয়াত, নিয়মিত সবক, সাবকি ও আমুখতার মাধ্যমে পাকা মুখস্থ।
নামাজ, দোয়া, সুন্নাহভিত্তিক জীবনাচার এবং বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহের শিক্ষা।
বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের একাডেমিক ভিত্তি, যেন পরবর্তী শ্রেণিতে সহজে যুক্ত হতে পারে।
কম্পিউটার, ভাষা ও ব্যবহারিক দক্ষতা, যা আগামী জীবনে কাজে লাগবে।
আমাদের শিক্ষার্থী হিফজ শেষে নিজের ও পরিবারের পছন্দমতো যে কোনো ধারায় ভর্তি হতে পারবে।
স্কুলের উপযুক্ত শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে এসএসসি, এইচএসসি ও উচ্চশিক্ষার পথে।
দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরে দ্বীনি ও সাধারণ শিক্ষা একসাথে।
কিতাব বিভাগে ভর্তি হয়ে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত গভীর দ্বীনি জ্ঞান।
* বিষয়তালিকা প্রয়োজনমতো পরিবর্তনযোগ্য।
হিফজের সময় অক্ষুণ্ণ রেখে একাডেমিক পড়ার জন্য আলাদা সময় রাখা হয়।
[পদবি / যোগ্যতা]
[পদবি / যোগ্যতা]
[পদবি / যোগ্যতা]
[পদবি / যোগ্যতা]
আসন সীমিত। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।
ভর্তি ফি: [০০০ টাকা] | মাসিক বেতন: [০০০ টাকা] | আবাসিক: [হ্যাঁ/না]
ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুনশিক্ষার্থীর মেধা ও নিয়মিততার ওপর নির্ভর করে সাধারণত [০–০ বছর] সময় লাগে। আমরা তাড়াহুড়ো নয়, মজবুত মুখস্থের ওপর জোর দিই।
না। দিনের মূল সময় হিফজের জন্য রাখা হয়, আর একাডেমিক ক্লাস হয় নির্দিষ্ট সময়ে সীমিত পরিসরে, যেন দুটোই ভারসাম্য রেখে চলে।
শিক্ষার্থীর বয়স ও একাডেমিক অগ্রগতি অনুযায়ী সাধারণ স্কুল, আলিয়া বা কওমি মাদরাসার উপযুক্ত শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার মতো প্রস্তুতি দেওয়া হয়।
[আবাসিক / অনাবাসিক / উভয় ব্যবস্থার তথ্য লিখুন]
নিয়মিত অভিভাবক সভা ও মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে সন্তানের হিফজ ও পড়াশোনার খবর জানানো হয়।
প্রতিটি শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী রাখা হয়, যেন প্রত্যেকে আলাদা মনোযোগ পায়। [সংখ্যা লিখুন]